অনুসন্ধিৎসু চক্র

কোভিড-১৯ সংকটকালীন সহযোগিতা তহবিল

বিস্তারিত পড়ুন

করোনা ভাইরাস সম্পর্কিত জরুরি লিংক

'সংবাদ বিজ্ঞপ্তি'

ঢাকার আকাশে ধূমকেতু নিওওয়াইজ

অনুসন্ধিৎসু চক্র বিজ্ঞান সংগঠনের সদস্য অরুণাভ ব্রুনো ১৭ জুলাই সন্ধ্যায় ঢাকার দক্ষিণ মুগদাপাড়া থেকে ধূমকেতু নিওওয়াইজের ছবি তুলতে সক্ষম হন। তিনি ২.৫ সেকেন্ড এক্সপোজারের ৩২টি ছবি তুলে সেগুলোকে একত্রিত (স্ট্যাক) করে ধূমকেতুর এই ছবিটা তৈরি করেছেন। এই ধরণের একত্রিতকরণ জ্যোতির্বিদ্যার ভাল ফোটো তোলার নিয়মিত পদ্ধতি।

ধূমকেতু নিওওয়াইজ বর্তমানে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে বহিঃসৌরজগতের দিকে ধাবিত হচ্ছে। যদিও খালি চোখে এটিকে দেখা কষ্টকর, সূর্যাস্তের পরে আকাশ অন্ধকার হয়ে এলে, ধূমকেতুটি উত্তর-পূর্ব আকাশে দিগন্তের কাছে দেখা যাবে যেকোনো সাধারণ বাইনোকুলার ব্যবহার দিয়ে। ধূমকেতুটি আগামী ২২ শে জুলাই পৃথিবীর সবচেয়ে কাছে থাকবে, কিন্তু সূর্যের থেকে দূরে সরে যাবার কারণে ধীরেধীরে এর ঔজ্জ্বল্য কমে যাচ্ছে। জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা মনে করেন এরপরের বার নিওওয়াইজ ধূমকেতুটিকে দেখা যাবে ৬৮০০ বছর পরে। ধূমকেতুটির কেন্দ্র মাত্র পাঁচ কিলোমিটার আকারের পাথর-ধূলা-বরফের একটি পিণ্ড হলেও, সূর্যালোকের চাপে এর ধূলার লেজটি প্রায় এক কোটি কিলোমিটার লম্বা।

ধূমকেতু পর্যবেক্ষণ সম্পর্কিত তথ্যের জন্য সর্বসাধারণকে বিজ্ঞান সংগঠন অনুসন্ধিৎসু চক্রের কেন্দ্রীয় দপ্তর: ৪৮/১, দক্ষিণ মুগদাপাড়া, ঢাকা-১২১৪, ইমেইল: achokro@gmail.com, www.achokro.org; বা ফেসবুকে- www.facebook.com/Anushandhitshuchokro বা মুঠোফোন: ০১৯১৫৯২১৬৬৬ এ যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হলো।

July 19, 2020 at 3:44 am

২১ জুন বাংলাদেশে আংশিক সূর্যগ্রহণ

আগামী ২১ জুন ২০২০ বছরের দীর্ঘতম দিন বা কর্কটক্রান্তি দিবস। এই দীর্ঘতম দিনে আকাশ মেঘমুক্ত থাকা সাপেক্ষে সারা দেশ থেকে আংশিক সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে। ঢাকার স্থানীয় সময় দুপুর ১১টা ২৩ মিনিটে সূর্যগ্রহণ শুরু হবে। দুপুর ১টা ১২ মিনিটে সূর্যগ্রহণের সর্বোচ্চ পর্যায় ও দুপুর ২ টা ৫২ মিনিটে গ্রহণ শেষ হবে। বাংলাদেশে আংশিক সূর্যগ্রহণ দেখা গেলেও উত্তর ভারত, পাকিস্তানের দক্ষিণ ভাগ, চীন, তাইওয়ান, মধ্য আফ্রিকা থেকে বলয়গ্রাস সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে। আর বাংলাদেশ থেকে পরবর্তী সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে ২০২২ সালের ২৫ অক্টোবর।

সূর্যকে কেন্দ্র করে পৃথিবী তার নিজ কক্ষপথে ঘুরছে, একইসাথে চাঁদ পৃথিবীর চারদিকে ঘুরছে। সূর্য ও পৃথিবীকে নিয়ে একটি তল কল্পনা করলে চাঁদ সাধারণতঃ সেই তলে থাকে না। কিন্তু কোনো কোনো অমাবস্যায়, পৃথিবী ও সূর্যের মাঝখানে চাঁদ সেই তলে একই সরল রেখায় চলে আসে। সূর্য চাঁদের আড়ালে চলে যায় এবং চাঁদের সঙ্কীর্ণ ছায়া তখন পৃথিবীর বুকে ভ্রমণ করে। সেই ছায়া যেসব জায়গার ওপর দিয়ে যায় সেখান থেকে মনে হয় সূর্য ধীরে ধীরে ঢেকে যাচ্ছে। ছায়ার কেন্দ্রে যেসব অঞ্চল পড়বে সেখান থেকে পূর্ণ সূর্যগ্রহণ দেখা যায়। কেন্দ্রের বাইরে আংশিক গ্রহণ দেখা যাবে| বলয়গ্রাস সূর্যগ্রহণের সময় চাঁদ তুলনামূকভাবে পৃথিবীর কাছে থাকায় চাঁদের কৌণিক ব্যাস সূর্যের কৌণিক ব্যাস হতে কম থাকে। ফলে পূর্ণগ্রহণ হলেও চাঁদ সূর্যকে পুরো ঢাকতে পারে না, সূর্য বলয় আকারে চাঁদের ছায়ার চারদিকে দেখা দেয়|

অনুসন্ধিৎসু চক্রের জ্যোতির্বিজ্ঞান বিভাগের সভাপতি মো. শাহজাহান মৃধা জানান, সূর্যগ্রহণ খালি চোখে দেখা অত্যন্ত ক্ষতিকর। এক্সরে ফিল্ম, নেগেটিভ, ভিডিও আ অডিও ক্যাসেটের ফিতা, সানগ্লাস, ঘোলা বা রঙিন কাচে এসব ক্ষতিকর অতিবেগুনী ও অবলোহিত রশ্মি আটকায়না। তাই কোনক্রমেই এগুলো দিয়ে সূর্যগ্রহণ পর্যবেক্ষণ করা যাবেনা। অনুসন্ধিৎসু চক্রের জ্যোতির্বিজ্ঞান বিভাগ আরো জানিয়েছে, ১৩ ও ১৪ গ্রেডের ওয়েল্ডিং গ্লাস বা আর্ক গ্লাস দিয়ে নিরাপদে সূর্যগ্রহণ পর্যবেক্ষণ করা যায়। ১১ গ্রেডের ওয়েল্ডিং কাচ দিয়েও গ্রহণ দেখা যাবে, তবে সেক্ষেত্রে দুটি কাচ একত্রে জোড়া দিয়ে ব্যবহার করতে হবে। তবে কোন ফিল্টার দিয়েই একনাগাড়ে বেশিক্ষণ তাকানো যাবেনা। সোলার ফিল্টার ছাড়াও পিনহোল ক্যামেরা দিয়ে কোনো কাগজ বা পর্দার ওপর সূর্যের প্রতিবিম্ব ফেলে গ্রহণ দেখা যেতে পারে।
কোভিড-১৯ সংক্রমণ ঝুঁকি এড়াতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সবাইকে নিজ নিজ বাসস্থান থেকে চোখের যথাযথ সতর্কতা অবলম্বনপূর্বক সূর্যগ্রহণ পর্যবেক্ষণে আহ্বান জানানো হচ্ছে। সূর্যগ্রহণ পর্যবেক্ষণ সম্পর্কিত তথ্যের জন্য সর্বসাধারণকে অনুসন্ধিৎসু চক্রের কেন্দ্রীয় দপ্তর ৪৮/১, দক্ষিণ মুগদাপাড়া, ঢাকা-১২১৪, ইমেইল: achokro@gmail.com, www.achokro.org; বা ফেসবুকে- www.facebook.com/Anushandhitshuchokro; ফোন:৭২৭৫৮৮৫, ০১৮১৯৯২৬১৬০ যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হলো।

বার্তাপ্রেরক

জাহাঙ্গীর আলম,
সাধারণ সম্পাদক, কেন্দ্রীয় কমিটি
অনুসন্ধিৎসু চক্র

June 18, 2020 at 5:19 am

জ্যোতির্বিজ্ঞান বিষয়ক বক্তৃতা

আগামী ১ আগস্ট  ২০১৯ বৃহষ্পতিবার ধানমন্ডির মাইডাস সেন্টারস্থ ইএমকে সেন্টারে “পর্যবেক্ষণ জ্যোতির্বিজ্ঞানের নতুন অধ্যায়” শীর্ষক বক্তৃতা অনুষ্ঠিত হবে। এ বিষয়ে বক্তৃতা প্রদান করবেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মরেনো ভ্যালি কলেজের পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপক জ্যোতির্বিদ দীপেন ভট্টাচার্য।বিজ্ঞান বক্তৃতা সন্ধ্যা্ ৬টায় শুরু হবে। বিজ্ঞান সংগঠন অনুসন্ধিৎসু চক্র ও ইএমকে সেন্টার যৌথভাবে এ বিজ্ঞান বক্তৃতা আয়োজন করেছে। অনুষ্ঠানটি সবার জন্য উন্মুক্ত।

এই বিষয়ে আরো জানতে যোগাযোগ করা যাবে: অনুসন্ধিৎসু চক্র, ৪৮/১, দক্ষিণ মুগদাপাড়া, ঢাকা-১২১৪; ফোন: ৭২৭৫৮৮৫, ০১৮১৯৯২৬১৬০।ইমেইল: achokro@gmail.com; ফেসবুক:https://www.facebook.com/Anushandhitshuchokro 

July 28, 2019 at 6:58 am

বাংলাদেশের আকাশে শনির বলয়

বাংলাদেশের আকাশ থেকে শনি গ্রহের বলয় দেখা যাচ্ছে। বর্তমানে সূর্য অস্ত যাবার পর থেকে পুবাকাশে শনি গ্রহ উদিত হয়ে সারারাত আকাশে দৃশ্যমান। অনুসন্ধিৎসু চক্রের জ্যোতির্বিজ্ঞান বিভাগের সভাপতি মো.শাহজাহান মৃধা জানান, বর্তমানে পৃথিবী, শনি ও সূর্যের মাঝখানে অবস্থান করছে। ফলে বছরের অন্যান্য সময়ের তুলনায় এখন থেকে জুন মাসের শেষ পর্যন্ত শনি থাকবে পৃথিবীর সবচে নিকটে ও সবচাইতে উজ্জ্বল। তাই শনি গ্রহের প্রধান আকর্ষণ অপরূপ বলয় দেখার এটাই উত্তম সময়। জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক এ ঘটনাটি যথাযথভাবে পর্যবেক্ষণ ও সাধারণ মানুষকে দেখানোর জন্য বিজ্ঞান সংগঠন অনুসন্ধিৎসু চক্র ১৯ জুন ২০১৮ থেকে ২৯ জুন ২০১৮ পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে শনির বলয় পর্যবেক্ষণ ক্যাম্পের আয়োজন করেছে। সেই ধারাবাহিকতায় আগামীকাল ২৩ জুন শনিবার ১ নং সিদ্ধেশ্বরী লেন ছাদে, অচ অবজারভেটরিতে রাত ১০ টা থেকে টেলিস্কোপে শনি গ্রহের বলয় পর্যবেক্ষণ শুরু হবে। পর্যবেক্ষণের জণ্য ক্যাম্পে ১৪ ইঞ্চি এবং ৮ ইঞ্চি মিড ক্যাসিগ্রেইন টেলিস্কোপ ও ফটোমিটার থাকবে। আগামী ২৭ জুন রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় খেলার মাঠে রাত ৮টা থেকে টেলিস্কোপে শনির বলয় পর্যবেক্ষণ ক্যাস্প শুরু হবে। আকাশ মেঘমুক্ত থাকা সাপেক্ষে ক্যাস্পগুলো অনুষ্ঠিত হবে। ক্যাস্পগুলো সর্বসাধারণেরর জন্য উন্মুক্ত থাকবে। ক্যাম্প থেকে শনি গ্রহের ছবি ও বৈজ্ঞানিক তথ্য সংগ্রহ করা হবে।

ছবি ও তথ্য পেতে হলে যোগাযোগ করা যাবে: অনুসন্ধিৎসু চক্রের কেন্দ্রীয় দপ্তর-৪৮/১,দক্ষিণ মুগদাপাড়া,ঢাকা ১২১৪, ইমেইল: achokro@gmail.com; www.facebook.com/Anushandhitshuchokro; www.achokro.org; ফোন: ০১৭১১৫৩৩০৯০,০১৫৫১৮১৭১৭৮ (ঢাকা), ০১৮৭৮০৪৭৬১২ (রাজশাহী)।

বার্তাপ্রেরক
( মোঃ জাহাঙ্গীর আলম )
সাধারণ সম্পাদক,কেন্দ্রীয় কমিটি
অনুসন্ধিৎসু চক্র বিজ্ঞান সংগঠন

June 22, 2018 at 11:20 am

৭ম জাতীয় প্রতিনিধি সম্মেলন ও আলোচনা সভা

7th-ac-conference-2016-25

অনুসন্ধিৎসু চক্রের ৭ম জাতীয় প্রতিনিধি সম্মেলন উপলক্ষে গত ৭ অক্টোবর ২০১৬ তারিখে ‘নতুন প্রজন্মের উপর স্মার্টফোনের প্রভাব’ শীর্ষক এক আলোচনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা করেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ড. আলী আসগর, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োমেডিক্যাল ফিজিক্স এন্ড টেকনোলজী বিভাগের অনারারি অধ্যাপক ড. খন্দকার সিদ্দিক-ই-রব্বানী, প্রকৌশলী মো: সাজেদুল হোসেন সরকার, চক্রেরর আজীবন সদস্য আজহারুল হক সেলিম ও আরাফাত রহমান প্রমুখ।

ড. আলী আসগর তার বক্তব্যে বলেন, ‘স্মার্টফোনের ব্যবহারে সতর্ক হতে হবে। বই পড়তে হবে। সৃজনশীল চিন্তা করতে হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘স্মার্টফোন স্থানকে ছোট করে দিয়েছে, দূর আত্মীয়-বন্ধুর খবর সহজেই পেতে পারি। কিন্তু এখান থেকে কি তথ্য নিব, কতটুকু তথ্য নিব, কতটুকু আমার দরকার আছে তা ভাবতে হবে। টেলিফোনে যে কথা হয়, গবেষণা করে দেখা দরকার, কতটুকু জরুরী কথা হয়, জ্ঞানের কথা হয়।’ ড. খন্দকার সিদ্দিক-ই-রব্বানী বলেন, ‘বর্তমান তরুণরা স্মার্টফোনের প্রজন্ম, তাদের বেছে নিতে হবে কিভাবে এ প্রযুক্তি তারা ব্যবহার করবে। আমরা সম্পদের অপচয় করি, সময়ের অপচয় করি। সামগ্রিকভাবে চিন্তা করলে, সমাজের কথা ভাবতে হবে। মানুষের জীবন একটাই। জীবনকে অর্থবহ করতে হবে। আমি কেন অন্য প্রাণীর মতো হবো, না মানুষ হয়ে মানুষের মতো আচরণ করব। আমাদের সত্যকে খুজঁতে হবে।’ প্রকৌশলী মো: সাজেদুল হোসেন সরকার বলেন, ‘মোবাইল ফোন সমূহ এক ধরনের ভয়াবহ ইলেকট্রোপলিউশন তৈরি করছে। মোবাইল ফোনে যে রেডিয়েশন হচ্ছে তা ভয়াবহ। মোবাইল ফোন রেডিয়েশন হতে ১৫-২০ বছরের মধ্যে ক্যান্সার হতে পারে, স্মরণশক্তি লোপ পেতে পারে। কোন ভাবেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কাছাকাছি মোবাইল টাওয়ার স্থাপন করা ঠিক হবে না।’

সম্মেলনের প্রথম অংশে উত্থাপিত দ্বিবার্ষিক রিপোর্টে রামপালে কয়লা বিদুৎ কেন্দ্র স্থাপন নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয় এবং এ বিদ্যুৎ কেন্দ্র দেশের অন্য কোথাও স্থাপনের আহ্বান জানানো হয়। এছাড়া অনুসন্ধিৎসু চক্রের প্রতিনিধি সম্মেলনে দেশের বিভিন্ন স্থান হতে আগত প্রতিনিধিরা প্রত্যক্ষ ভোটে নতুন কমিটি নির্বাচন করেন। আরাফাত রহমানকে সভাপতি ও জাহাঙ্গীর আলম দিপুকে সাধারণ সম্পাদক করে ১৭ সদস্য বিশিষ্ট কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন করা হয়।

October 8, 2016 at 5:20 pm

অনুসন্ধিৎসু চক্রের ৭ম প্রতিনিধি সম্মেলন এবং আলোচনা সভা

বিজ্ঞান সংগঠন অনুসন্ধিৎসু চক্রের ৭ম জাতীয় প্রতিনিধি সম্মেলন আগামী ৭ অক্টোবর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের খন্দকার মোকাররম হোসেন ভবনের অডিটোরিয়ামে (৩য় তলা) অনুষ্ঠিত হবে প্রথম অধিবেশন সকাল ৯.৩০ মিনিটে শুরু হবে চক্রের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান মৃধা বেণু সম্মেলন উদ্বোধন করবেন অনুসন্ধিৎসু চক্রের সকল শাখার প্রতিনিধি, পর্যবেক্ষক, আজীবন সদস্য এবং  কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যবৃন্দ সম্মেলনে অংশ নিবেন সম্মেলনে বিগত ৩ বছরের সংগঠনের কার্যক্রমের পর্যালোচনা এবং খসড়া রিপোর্ট প্রদান করা হবে বিভিন্ন শাখার প্রতিনিধিদের প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমে নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি নির্বাচন করা হবে

দ্বিতীয় অধিবেশনে বিকেল ৪টায়নতুন প্রজন্মের উপর স্মার্ট ফোনের প্রভাবশীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে অনুষ্ঠানে আলোচক হিসেবে উপস্থিত থাকবেন অধ্যাপক ড. আলী আসগর, ফেলো, বাংলাদেশ বিজ্ঞান একাডেমী, . খন্দকার সিদ্দিকরব্বানী,অনারারী প্রফেসর, বায়োমেডিক্যাল ফিজিক্স এন্ড টেকনোলজি বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং মোঃ সাজেদুল হোসেন সরকার, প্রকৌশলী

এছাড়া বিভিন্ন বিজ্ঞান ক্লাব, বিজ্ঞান সংগঠন, শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকবৃন্দ এতে অংশ নিবেন বলে আশা করা হচ্ছে এ আলোচনাটি সবার জন্য উন্মুক্ত অনুষ্ঠানের বিষয়ে যে কোন তথ্যের জন্য যোগাযোগ করা যাবে এই নম্বরে: ০১৫৫১৮১৭১৭৮

October 6, 2016 at 1:34 am

সুন্দরবনের অনতিদূরে বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন না করার আহ্বান অনুসন্ধিৎসু চক্রের

অনুসন্ধিৎসু চক্রের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আমানুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক আরাফাত রহমান আজ এক বিবৃতিতে বাংলাদেশের প্রাকৃতিক রক্ষাবর্ম সুন্দরবনের অনতিদূরে রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন না করতে সরকারের/ সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

বিবৃতিতে তাঁরা বলেছেন, বাংলাদেশে সরকার সুন্দরবনের সংরক্ষিত বনের অনতিদূরে একটি কয়লাভিত্তিক ১৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র বসাতে যাচ্ছেন। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে যৌথ মালিকানায় বাংলাদেশের বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড ও ভারতের রাষ্ট্রীয় কোম্পানি ‘এনটিপিসি’র (ন্যাশনাল থার্মাল পাওয়ার কোম্পানি)। আমরা মনে করি সুন্দরবনের এত কাছে কয়লাভিত্তিক কেন্দ্র সুন্দরবনের ও পাশ্ববর্তী লোকালয়ের ক্ষতি করবে। রামপালের জন্য প্রতি বছর ৪৭ লাখ টন কয়লা, চুনাপাথর ইত্যাদি সুন্দরবনের মধ্য দিয়ে পরিবহন করতে হবে। কয়লা পোড়ানোর জন্য সাব-ক্রিটিক্যাল প্রযুক্তির পরিবর্তে সুপার-ক্রিটিক্যাল পদ্ধতি প্রয়োগ করলে কয়লা পুড়ে নিঃশেষিত হওয়ার হার ৩৮ শতাংশ থেকে বেড়ে ৪২ শতাংশ হবে। এই সামান্য পরিবর্তনে বায়ুদূষণ বৃদ্ধির খুব রকমফের হবে না। রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের কারণে সৃষ্ট বিপুল পরিমাণ উষ্ণ ও দূষিত পানি সংশ্লিস্ট বাস্তুসংস্থানে যুক্ত হলে এবং আশপাশে বহু শিল্প-কারখানা গড়ে ওঠলে তা পৃথিবীর এই একক বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বনের সংবেদনশীল প্রতিবেশ ব্যবস্থার প্রতি ঝুঁকি আরও বাড়িয়েই তুলবে। বিজ্ঞান সংগঠন অনুসন্ধিৎসু চক্র দেশের বিদ্যুৎ চাহিদা মেটাতে সুন্দরবন থেকে দূরে যৌক্তিক কোন স্থানে বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছে।

September 10, 2016 at 9:12 am

বিপুল উৎসাহে আংশিক সূর্যগ্রহণ পর্যবেক্ষণ

আজ ৯ মার্চ ২০১৬ বাংলাদেশে আংশিক সূর্যগ্রহণ দেখা গেছে। সূর্য উদয়ের সাথে সাথেই বাংলাদেশ থেকে এ সূর্যগ্রহণ শুরু হয়। ঢাকার স্থানীয় সময় ভোর ৬টা ১২ মিনিটে সূর্য উদয়ের পর থেকে শুরু হয়ে ৭টা ২১ মিনিট ৭ সেকেন্ডে গ্রহণ শেষ হয়। ঢাকায় সর্বোচ্চ গ্রহণ দেখা গেছে সকাল ৬টা ৩৮মিনিটে। আজকের পর বাংলাদেশ থেকে পরবর্তী আংশিক সূর্যগ্রহণ দেখার জন্য অপেক্ষা করতে হবে ২০১৯ সালের ২৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত। এই মহাজাগতিক ঘটনা পর্যবেক্ষণে বিজ্ঞান সংগঠন অনুসন্ধিৎসু চক্র দেশের বিভিন্ন স্থানে সূর্যগ্রহণ পর্যবেক্ষণ ক্যাম্পের আয়োজন করে। সূর্যগ্রহণ পর্যবেক্ষণে ক্যাম্পগুলোতে দেখা গেছে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের উৎসুক উপস্থিতি।

solar eclipse 03 solar eclipse 01

Partical Solar Eclipse, 9 March 2016 Website Partial S E Camp 1

রাজধানীর কেন্দ্রীয় সূর্যগ্রহণ পর্যবেক্ষণ ক্যাম্পটি অনুষ্ঠিত হয়েছে ঢাকার গ্রীন মডেল টাউন, মান্ডায়। কেন্দ্রীয় ক্যাম্পটির নেতৃত্ব দেন অনুসন্ধিৎসু চক্রের জ্যোতির্বিজ্ঞান বিভাগের সভাপতি মো. শাহজাহান মৃধা। সাধারণ মানুষ যাতে নির্বিঘেœ পর্যবেক্ষণ করতে পারে সেজন্য ক্যাম্পে করনাডো সোলারস্কোপ, ৮ ইঞ্চি স্মিড ক্যাসিগ্রেইন টেলিস্কোপ ও নিরাপদ সোলার ফিল্টারের ব্যবস্থা করা হয়। এই ক্যাম্প থেকে আংশিক সুর্যগ্রহণের ছবি ও গ্রহণ চলাকালীন তাপমাত্রার হ্রাস বৃদ্ধি পর্যবেক্ষণ করা হয়। কুসংষ্কার দূর করতে গ্রহণ চলাকালীন সময়ে অনুসন্ধিৎসু চক্রের সদস্যরা খাদ্য গ্রহণ করে সবাইকে জানান , ”সূর্যগ্রহণের সময় খেলে কিছু হয়না, এটা ভ্রান্ত ধারণা। এছাড়া ঢাকার বাইরে অনুসন্ধিৎসু চক্রের উদ্দ্যোগে সূর্যগ্রহণ পর্যবেক্ষণ ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে- পঞ্চগড়ে সংগঠনের পঞ্চগড় শাখার আয়োজনে শহরের ট্রাফিক পুলিশ অফিস সংলগ্ন স্থানে, বোদা শাখার আয়োজনে বোদা পল্লী বিদ্যুৎ সংলগ্ন মাঠ, শীমুলতলি;, রাজশাহীতে অনুসন্ধিৎসু চক্রের রাজশাহী শাখা ও অ্যাস্ট্রোনমি এন্ড সায়েন্স সোসাইটি অব রুয়েট যৌথভাবে রাজশাহী পদ্মা গার্ডেনে, ঝিনাইদহে অনুসন্ধিৎসু চক্রের ঝিনাইদহ শাখার উদ্দ্যোগে বীরেশ্রষ্ঠ হামিদুর রহমান স্টেডিয়াম, কবি সুকান্ত সড়ক; বরিশালে অনুসন্ধিৎসু চক্রের বরিশাল শাখার আয়োজনে বরিশাল সদরের মুক্তিযোদ্ধা পার্ক ও ভেগাই হালদার পাবলিক একাডেমী, আগৌলঝাড়ায়।

 

Partial Solar Eclipse 2016 website Solar Eclipse Photo taken by Bruno rajshahi1Solar Eclipse Barisal camp

March 9, 2016 at 5:30 am

আগামী ৯ মার্চ বাংলাদেশে আংশিক সূর্যগ্রহণ

আগামী ৯ মার্চ, ২০১৬ সারাদেশ থেকে আংশিক সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে। সূর্য উদয়ের সাথে সাথেই বাংলাদেশ থেকে এ সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে। ঢাকার স্থানীয় সময় ভোর ৬টা ১২ মিনিটে সূর্য উদয়ের পর থেকে শুরু হয়ে সকাল ৬টা ৩৮মিনিট ৪৯ সেকেন্ডে সূর্যগ্রহণের সর্বোচ্চ পর্যায় ও ৭টা ২১ মিনিট ৭ সেকেন্ডে গ্রহণ শেষ হবে। বাংলাদেশ ছাড়াও আংশিক সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে চীন, জাপান, কোরিয়া, অস্ট্রেলিয়ার কিছু অংশ ও হাওয়াই, আলাস্কা থেকে। আর ইন্দোশিয়ার কিছু দ্বীপ থেকে ঐদিন পূর্ণ সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে। বাংলাদেশ থেকে পরবর্তী আংশিক সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে ২০১৯ সালের ২৬ ডিসেম্বর। আর ২১১৪ সালের ৩ জুনের আগে বাংলাদেশ থেকে কোন পূর্ণ সূর্যগ্রহণ দৃশ্যমান হবেনা।

সূর্যকে কেন্দ্র করে পৃথিবী তার নিজ কক্ষপথে ঘুরছে, একইসাথে চাঁদ পৃথিবীর চারদিকে ঘুরছে। সূর্য ও পৃথিবীকে নিয়ে একটি তল কল্পনা করলে চাঁদ সাধারণতঃ সেই তলে পৃথিবীর চারদিকে ঘোরে না। কিন্তু কোনো কোন সময়ে, অমাবস্যার সময়, পৃথিবী ও সূর্যের মাঝখানে চাঁদ সেই তলে একই সরল রেখায় চলে আসে। সূর্য চাঁদের আড়ালে চলে যায় এবং চাঁদের সঙ্কীর্ণ ছায়া তখন পৃথিবীর বুকে ভ্রমণ করে। সেই ছায়া যেসব জায়গার ওপর দিয়ে যায় সেখান থেকে মনে হয় সূর্য ধীরে ধীরে ঢেকে যাচ্ছে। ছায়ার কেন্দ্রে যেসব অঞ্চল পড়বে সেখান থেকে পূর্ণ সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে। আর কেন্দ্রের বাইরে দেখা যাবে আংশিক সূর্যগ্রহণ।

অনুসন্ধিৎসু চক্রের জ্যোতির্বিজ্ঞান বিভাগের সভাপতি মো. শাহজাহান মৃধা জানান, সূর্যগ্রহণ খালি চোখে দেখা অত্যন্ত ক্ষতিকর। এক্সরে ফিল্ম, নেগেটিভ, ভিডিও আ অডিও ক্যাসেটের ফিতা, সানগ্লাস, ঘোলা বা রঙিন কাচে এসব ক্ষতিকর অতিবেগুনী ও অবলোহিত রশ্মি আটকায়না। তাই কোনক্রমেই এগুলো দিয়ে সূর্যগ্রহণ পর্যবেক্ষণ করা যাবেনা। চক্রের জ্যোতির্বিজ্ঞান বিভাগ আরো জানিয়েছে, ১৩ ও ১৪ গ্রেডের ওয়েল্ডিং গ্লাস আ আর্ক গ্লাস দিয়ে নিরাপদে সূর্যগ্রহণ পর্যবেক্ষণ করা যায়। ১১ গ্রেডের ওয়েল্ডিং গ্লাস দিয়েও গ্রহণ দেখা যাবে, তবে সেক্ষেত্রে দুটি গ্লাস একত্রে জোড়া দিয়ে ব্যবহার করতে হবে। তবে কোন ফিল্টার দিয়েই একনাগাড়ে বেশিক্ষণ তাকানো যাবেনা। সোলার ফিল্টার ছাড়াও পিনহোল ক্যামেরা দিয়ে কোনো স্ক্রিনের ওপর সূর্যের প্রতিবিম্ব ফেলে গ্রহণ দেখা যেতে পারে।

সূর্যগ্রহণ পর্যবেক্ষণের জন্য বিজ্ঞান সংগঠন অনুসন্ধিৎসু চক্র নানা প্রস্তুতি নিয়েছে। এ পর্যবেক্ষণে আধুনিক যন্ত্রপাতি সহ থাকছে সকল ব্যবস্থা। রাজধানীর সূর্যগ্রহণ পর্যবেক্ষণ ক্যাম্পটি অনুষ্ঠিত হবে ঢাকার গ্রীন মডেল টাউন, মান্ডায়। মেঘমুক্ত আকাশ থাকা সাপেক্ষে ক্যাম্প শুরু সকাল ৬টা ১০ মিনিট থেকে। গ্রহণ শেষ হওয়া পর্যন্ত পর্যবেক্ষণ ক্যাম্প সকলের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। এই ক্যাম্প থেকে ছবি ও বৈজ্ঞানিক তথ্য সংগ্রহ করা হবে। এই জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক ঘটনা যথাযথভাবে পর্যবেক্ষণের জন্য ক্যাম্পে ৮ ইঞ্চি স্মিড ক্যাসিগ্রেইন টেলিস্কোপ থাকবে। ঢাকার বাইরে অনুসন্ধিৎসু চক্রের উদ্দ্যোগে সূর্যগ্রহণ পর্যবেক্ষণ ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হবে:

পঞ্চগড়ে অনুসন্ধিৎসু চক্রের বোদা শাখার আয়োজনে বোদা পল্লী বিদ্যুৎ সংলগ্ন মাঠ, শীমুলতলি; রাজশাহীতে অনুসন্ধিৎসু চক্রের রাজশাহী শাখা ও অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটি অব রুয়েট যৌথভাবে রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় খেলার মাঠে; ঝিনাইদহে অনুসন্ধিৎসু চক্রের ঝিনাইদহ শাখার উদ্দ্যোগে বীরেশ্রষ্ঠ হামিদুর রহমান স্টেডিয়াম, কবি সুকান্ত সড়ক;বরিশালে অনুসন্ধিৎসু চক্রের বরিশাল শাখার আয়োজনে জেলার দুটি স্থানে বরিশাল সদরের মুক্তিযোদ্ধা পার্ক ও ভেগাই হালদার পাবলিক একাডেমী, আগৌলঝাড়ায় ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হবে।সূর্যগ্রহণ ক্যাম্পে যোগদান ও পর্যবেক্ষণ সম্পর্কিত তথ্যের জন্য সর্বসাধারণকে অনুসন্ধিৎসু চক্রের কেন্দ্রীয় দপ্তর ৪৮/১, দক্ষিণ মুগদাপাড়া, ঢাকা-১২১৪, ইমেইল: achokro@gmail.com, www.achokro.org; বা ফেসবুকে- www.facebook.com/Anushandhitshuchokro; ফোন:৭২৭৫৮৮৫, ০১৮১৯৯২৬১৬০ যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হলো।Solar Eclipse Diagram, Anushadhitshu Chokro

March 4, 2016 at 7:19 am

জ্যোতির্বিদ এ আর খান প্রয়াণে স্বারণিক মিলন ও দোয়া মাহফিল

অনুসন্ধিৎসু চক্রের সাবেক সভাপতি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলিত পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের প্রাক্তন সভাপতি জ্যোতির্বিদ আনোয়ারুর রহমান খান (এ আর খান) এর প্রয়াণ স্মরণে আজ ২১ আগস্ট শুক্রবার মরহুমের মনিপুরিপাড়াস্থ নিজ বাসভবনে পারিবারিক উদ্দ্যোগে স্মারণিক মিলন ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক,অনুসন্ধিৎসু চক্রের জ্যোতির্বিজ্ঞান বিভাগের সভাপতি শাহজাহান মৃধা, ড. এ আর খানের কনিষ্ঠ ভ্রাতা স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের অন্যতম সংগঠক আশফাকুর রহমান খান, প্রয়াতের কন্যা নিশাত খান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সিদ্দিক-ই-রব্বানী, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের মিহির বিশ্বাস, বিক্রমপুর ফাউন্ডেশনের মুনির মোর্শেদ, সম্মিলিত সাংষ্কৃতিক জোটের হাসান আরিফ প্রমুখ। বক্তৃতাশেষে দোয়া, প্রদীপ প্রজ্জ্বলন ও সাংষ্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়।
(more…)

August 22, 2015 at 9:58 am