অনুসন্ধিৎসু চক্র

'সংবাদ বিজ্ঞপ্তি'

৬৮ বছরের মধ্যে পৃথিবীর খুব নিকটবর্তী হচ্ছে চাঁদ

aaa

আগামীকাল ১৪ নভেম্বর, ২০১৬ পৃথিবীর খুব কাছাকাছি আসছে চাঁদ। উপবৃত্তাকার কক্ষপথে পৃথিবী থেকে চাঁদের এই নিকটতম অবস্থানকে অনুভূ বা পেরিজি বলা হয়। ঐ সময় চাঁদ পৃথিবী হতে ৩,৫৬,৫০৯ কিলোমিটার দূরত্বে অবস্থান করবে। পৃথিবী থেকে চাঁদের গড় দূরত্ব ৩,৮৪,৪০২ কিলোমিটার। এর আগে ১৯৪৮ সালের ২৬ জানুয়ারি পৃথিবীর এতো কাছে এসেছিলো চাঁদ। ২০৩৪ সালের ২৫ নভেম্বরের আগে চাঁদ পৃথিবীর এতো কাছে (৩,৫৬,৪৪৮ কিমি) আর আসছে না। ১৪ নভেম্বর, অনুভূ সময়ের কাছাকাছি সূর্য, পৃথিবী ও চাঁদ প্রায় একটি সরল রেখায় অবস্থান করবে, সেই জন্য তখনই পূর্ণচন্দ্র বা পূর্ণিমা হবে। যেহেতু অনুভূ ও পূর্ণিমা প্রায় একই সময়ে সংগঠিত হচ্ছে সেই জন্য এই চাঁদ গড় দৃশ্যমান চাঁদের চাইতে কিছুটা বড় ও উজ্জ্বল দেখাবে। আগামীকাল চাঁদ ঢাকা সময় সন্ধ্যা ৫টা ৩৪ মিনিটে উদিত হবে। অনুসন্ধিৎসু চক্রের জ্যোতির্বিজ্ঞান বিভাগের সভাপতি শাহজাহান মৃধা বেনু জানান, অনেকেই ১৪ নভেম্বরের চাঁদকে ‘সুপারমুন’ হিসেবে আখ্যায়িত করলেও গবেষকরা সাধারণত ‘সুপারমুন’ শব্দটি ব্যবহার করেননা। তাঁরা এটাকে বলেন অনুভূ পূর্ণচন্দ্র বা পেরিজি ফুলমুন। উপবৃত্তাকার কক্ষপথে চাঁদ পৃথিবীর চারদিকে ঘুরে বলে পৃথিবী থেকে চাঁদের দূরত্ব কখনো বাড়ে, কখনো কমে। প্রতি বছরই কোন না কোন সময়ে অনুভূ ও পূর্ণচন্দ্র প্রায় একই সময়ে সংঘটিত হয়, তাই এটি একটি নিয়মিত ঘটনা। অনুভূ পূর্ণিমা অপুভূ (দূরবর্তী) পূর্ণিমার চাইতে আকারে ১৪% ও উজ্জ্বলতায় ৩০% বেশী হলেও খালি চোখে সেটা নির্ণয় করা কঠিন। তবুও ১৪ নভেম্বরের পূর্ণিমার উজ্জ্বল চাঁদ অবলোকনের মাধ্যমে আমরা পৃথিবীর সঙ্গে এই প্রাকৃতিক উপগ্রহটির সম্পর্ক জানতে আরো আগ্রহী হব। এঘটনায় পৃথিবীর উপর উল্লেখযোগ্য কোন প্রভাব পড়বেনা,তবে স্বাভাবিকের তুলনায় জোয়ারের মাত্রা বেশি হতে পারে। যারা টেলিস্কোপের মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ করবেন তাদেরকে ফিল্টার ব্যবহার করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। এক্সপোজারের সময় ও অ্যাপারচার কমিয়ে চাঁদের ছবি তোলার জন্য এটি একটি ভাল সুযোগ।

এই বিষয়ে আরো জানতে হলে যোগাযোগ করা যাবে: অনুসন্ধিৎসু চক্র, ৪৮/১,দক্ষিণ মুগদাপাড়া, ঢাকা-১২১৪; ফোন:৭২৭৫৮৮৫, ০১৮১৯৯২৬১৬০। ইমেইল: achokro@gmail.com; ফেসবুক: https://www.facebook.com/Anushandhitshuchokro

বার্তাপ্রেরক

(জাহাঙ্গীর আলম দীপু)
সাধারণ সম্পাদক, কেন্দ্রীয় পরিচালনা কমিটি
অনুসন্ধিৎসু চক্র

November 13, 2016 at 2:00 pm

৭ম জাতীয় প্রতিনিধি সম্মেলন ও আলোচনা সভা

7th-ac-conference-2016-25

অনুসন্ধিৎসু চক্রের ৭ম জাতীয় প্রতিনিধি সম্মেলন উপলক্ষে গত ৭ অক্টোবর ২০১৬ তারিখে ‘নতুন প্রজন্মের উপর স্মার্টফোনের প্রভাব’ শীর্ষক এক আলোচনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা করেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ড. আলী আসগর, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োমেডিক্যাল ফিজিক্স এন্ড টেকনোলজী বিভাগের অনারারি অধ্যাপক ড. খন্দকার সিদ্দিক-ই-রব্বানী, প্রকৌশলী মো: সাজেদুল হোসেন সরকার, চক্রেরর আজীবন সদস্য আজহারুল হক সেলিম ও আরাফাত রহমান প্রমুখ।

ড. আলী আসগর তার বক্তব্যে বলেন, ‘স্মার্টফোনের ব্যবহারে সতর্ক হতে হবে। বই পড়তে হবে। সৃজনশীল চিন্তা করতে হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘স্মার্টফোন স্থানকে ছোট করে দিয়েছে, দূর আত্মীয়-বন্ধুর খবর সহজেই পেতে পারি। কিন্তু এখান থেকে কি তথ্য নিব, কতটুকু তথ্য নিব, কতটুকু আমার দরকার আছে তা ভাবতে হবে। টেলিফোনে যে কথা হয়, গবেষণা করে দেখা দরকার, কতটুকু জরুরী কথা হয়, জ্ঞানের কথা হয়।’ ড. খন্দকার সিদ্দিক-ই-রব্বানী বলেন, ‘বর্তমান তরুণরা স্মার্টফোনের প্রজন্ম, তাদের বেছে নিতে হবে কিভাবে এ প্রযুক্তি তারা ব্যবহার করবে। আমরা সম্পদের অপচয় করি, সময়ের অপচয় করি। সামগ্রিকভাবে চিন্তা করলে, সমাজের কথা ভাবতে হবে। মানুষের জীবন একটাই। জীবনকে অর্থবহ করতে হবে। আমি কেন অন্য প্রাণীর মতো হবো, না মানুষ হয়ে মানুষের মতো আচরণ করব। আমাদের সত্যকে খুজঁতে হবে।’ প্রকৌশলী মো: সাজেদুল হোসেন সরকার বলেন, ‘মোবাইল ফোন সমূহ এক ধরনের ভয়াবহ ইলেকট্রোপলিউশন তৈরি করছে। মোবাইল ফোনে যে রেডিয়েশন হচ্ছে তা ভয়াবহ। মোবাইল ফোন রেডিয়েশন হতে ১৫-২০ বছরের মধ্যে ক্যান্সার হতে পারে, স্মরণশক্তি লোপ পেতে পারে। কোন ভাবেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কাছাকাছি মোবাইল টাওয়ার স্থাপন করা ঠিক হবে না।’

সম্মেলনের প্রথম অংশে উত্থাপিত দ্বিবার্ষিক রিপোর্টে রামপালে কয়লা বিদুৎ কেন্দ্র স্থাপন নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয় এবং এ বিদ্যুৎ কেন্দ্র দেশের অন্য কোথাও স্থাপনের আহ্বান জানানো হয়। এছাড়া অনুসন্ধিৎসু চক্রের প্রতিনিধি সম্মেলনে দেশের বিভিন্ন স্থান হতে আগত প্রতিনিধিরা প্রত্যক্ষ ভোটে নতুন কমিটি নির্বাচন করেন। আরাফাত রহমানকে সভাপতি ও জাহাঙ্গীর আলম দিপুকে সাধারণ সম্পাদক করে ১৭ সদস্য বিশিষ্ট কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন করা হয়।

October 8, 2016 at 5:20 pm

অনুসন্ধিৎসু চক্রের ৭ম প্রতিনিধি সম্মেলন এবং আলোচনা সভা

বিজ্ঞান সংগঠন অনুসন্ধিৎসু চক্রের ৭ম জাতীয় প্রতিনিধি সম্মেলন আগামী ৭ অক্টোবর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের খন্দকার মোকাররম হোসেন ভবনের অডিটোরিয়ামে (৩য় তলা) অনুষ্ঠিত হবে প্রথম অধিবেশন সকাল ৯.৩০ মিনিটে শুরু হবে চক্রের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান মৃধা বেণু সম্মেলন উদ্বোধন করবেন অনুসন্ধিৎসু চক্রের সকল শাখার প্রতিনিধি, পর্যবেক্ষক, আজীবন সদস্য এবং  কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যবৃন্দ সম্মেলনে অংশ নিবেন সম্মেলনে বিগত ৩ বছরের সংগঠনের কার্যক্রমের পর্যালোচনা এবং খসড়া রিপোর্ট প্রদান করা হবে বিভিন্ন শাখার প্রতিনিধিদের প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমে নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি নির্বাচন করা হবে

দ্বিতীয় অধিবেশনে বিকেল ৪টায়নতুন প্রজন্মের উপর স্মার্ট ফোনের প্রভাবশীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে অনুষ্ঠানে আলোচক হিসেবে উপস্থিত থাকবেন অধ্যাপক ড. আলী আসগর, ফেলো, বাংলাদেশ বিজ্ঞান একাডেমী, . খন্দকার সিদ্দিকরব্বানী,অনারারী প্রফেসর, বায়োমেডিক্যাল ফিজিক্স এন্ড টেকনোলজি বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং মোঃ সাজেদুল হোসেন সরকার, প্রকৌশলী

এছাড়া বিভিন্ন বিজ্ঞান ক্লাব, বিজ্ঞান সংগঠন, শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকবৃন্দ এতে অংশ নিবেন বলে আশা করা হচ্ছে এ আলোচনাটি সবার জন্য উন্মুক্ত অনুষ্ঠানের বিষয়ে যে কোন তথ্যের জন্য যোগাযোগ করা যাবে এই নম্বরে: ০১৫৫১৮১৭১৭৮

October 6, 2016 at 1:34 am

সুন্দরবনের অনতিদূরে বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন না করার আহ্বান অনুসন্ধিৎসু চক্রের

অনুসন্ধিৎসু চক্রের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আমানুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক আরাফাত রহমান আজ এক বিবৃতিতে বাংলাদেশের প্রাকৃতিক রক্ষাবর্ম সুন্দরবনের অনতিদূরে রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন না করতে সরকারের/ সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

বিবৃতিতে তাঁরা বলেছেন, বাংলাদেশে সরকার সুন্দরবনের সংরক্ষিত বনের অনতিদূরে একটি কয়লাভিত্তিক ১৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র বসাতে যাচ্ছেন। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে যৌথ মালিকানায় বাংলাদেশের বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড ও ভারতের রাষ্ট্রীয় কোম্পানি ‘এনটিপিসি’র (ন্যাশনাল থার্মাল পাওয়ার কোম্পানি)। আমরা মনে করি সুন্দরবনের এত কাছে কয়লাভিত্তিক কেন্দ্র সুন্দরবনের ও পাশ্ববর্তী লোকালয়ের ক্ষতি করবে। রামপালের জন্য প্রতি বছর ৪৭ লাখ টন কয়লা, চুনাপাথর ইত্যাদি সুন্দরবনের মধ্য দিয়ে পরিবহন করতে হবে। কয়লা পোড়ানোর জন্য সাব-ক্রিটিক্যাল প্রযুক্তির পরিবর্তে সুপার-ক্রিটিক্যাল পদ্ধতি প্রয়োগ করলে কয়লা পুড়ে নিঃশেষিত হওয়ার হার ৩৮ শতাংশ থেকে বেড়ে ৪২ শতাংশ হবে। এই সামান্য পরিবর্তনে বায়ুদূষণ বৃদ্ধির খুব রকমফের হবে না। রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের কারণে সৃষ্ট বিপুল পরিমাণ উষ্ণ ও দূষিত পানি সংশ্লিস্ট বাস্তুসংস্থানে যুক্ত হলে এবং আশপাশে বহু শিল্প-কারখানা গড়ে ওঠলে তা পৃথিবীর এই একক বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বনের সংবেদনশীল প্রতিবেশ ব্যবস্থার প্রতি ঝুঁকি আরও বাড়িয়েই তুলবে। বিজ্ঞান সংগঠন অনুসন্ধিৎসু চক্র দেশের বিদ্যুৎ চাহিদা মেটাতে সুন্দরবন থেকে দূরে যৌক্তিক কোন স্থানে বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছে।

September 10, 2016 at 9:12 am

বিপুল উৎসাহে আংশিক সূর্যগ্রহণ পর্যবেক্ষণ

আজ ৯ মার্চ ২০১৬ বাংলাদেশে আংশিক সূর্যগ্রহণ দেখা গেছে। সূর্য উদয়ের সাথে সাথেই বাংলাদেশ থেকে এ সূর্যগ্রহণ শুরু হয়। ঢাকার স্থানীয় সময় ভোর ৬টা ১২ মিনিটে সূর্য উদয়ের পর থেকে শুরু হয়ে ৭টা ২১ মিনিট ৭ সেকেন্ডে গ্রহণ শেষ হয়। ঢাকায় সর্বোচ্চ গ্রহণ দেখা গেছে সকাল ৬টা ৩৮মিনিটে। আজকের পর বাংলাদেশ থেকে পরবর্তী আংশিক সূর্যগ্রহণ দেখার জন্য অপেক্ষা করতে হবে ২০১৯ সালের ২৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত। এই মহাজাগতিক ঘটনা পর্যবেক্ষণে বিজ্ঞান সংগঠন অনুসন্ধিৎসু চক্র দেশের বিভিন্ন স্থানে সূর্যগ্রহণ পর্যবেক্ষণ ক্যাম্পের আয়োজন করে। সূর্যগ্রহণ পর্যবেক্ষণে ক্যাম্পগুলোতে দেখা গেছে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের উৎসুক উপস্থিতি।

solar eclipse 03 solar eclipse 01

Partical Solar Eclipse, 9 March 2016 Website Partial S E Camp 1

রাজধানীর কেন্দ্রীয় সূর্যগ্রহণ পর্যবেক্ষণ ক্যাম্পটি অনুষ্ঠিত হয়েছে ঢাকার গ্রীন মডেল টাউন, মান্ডায়। কেন্দ্রীয় ক্যাম্পটির নেতৃত্ব দেন অনুসন্ধিৎসু চক্রের জ্যোতির্বিজ্ঞান বিভাগের সভাপতি মো. শাহজাহান মৃধা। সাধারণ মানুষ যাতে নির্বিঘেœ পর্যবেক্ষণ করতে পারে সেজন্য ক্যাম্পে করনাডো সোলারস্কোপ, ৮ ইঞ্চি স্মিড ক্যাসিগ্রেইন টেলিস্কোপ ও নিরাপদ সোলার ফিল্টারের ব্যবস্থা করা হয়। এই ক্যাম্প থেকে আংশিক সুর্যগ্রহণের ছবি ও গ্রহণ চলাকালীন তাপমাত্রার হ্রাস বৃদ্ধি পর্যবেক্ষণ করা হয়। কুসংষ্কার দূর করতে গ্রহণ চলাকালীন সময়ে অনুসন্ধিৎসু চক্রের সদস্যরা খাদ্য গ্রহণ করে সবাইকে জানান , ”সূর্যগ্রহণের সময় খেলে কিছু হয়না, এটা ভ্রান্ত ধারণা। এছাড়া ঢাকার বাইরে অনুসন্ধিৎসু চক্রের উদ্দ্যোগে সূর্যগ্রহণ পর্যবেক্ষণ ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে- পঞ্চগড়ে সংগঠনের পঞ্চগড় শাখার আয়োজনে শহরের ট্রাফিক পুলিশ অফিস সংলগ্ন স্থানে, বোদা শাখার আয়োজনে বোদা পল্লী বিদ্যুৎ সংলগ্ন মাঠ, শীমুলতলি;, রাজশাহীতে অনুসন্ধিৎসু চক্রের রাজশাহী শাখা ও অ্যাস্ট্রোনমি এন্ড সায়েন্স সোসাইটি অব রুয়েট যৌথভাবে রাজশাহী পদ্মা গার্ডেনে, ঝিনাইদহে অনুসন্ধিৎসু চক্রের ঝিনাইদহ শাখার উদ্দ্যোগে বীরেশ্রষ্ঠ হামিদুর রহমান স্টেডিয়াম, কবি সুকান্ত সড়ক; বরিশালে অনুসন্ধিৎসু চক্রের বরিশাল শাখার আয়োজনে বরিশাল সদরের মুক্তিযোদ্ধা পার্ক ও ভেগাই হালদার পাবলিক একাডেমী, আগৌলঝাড়ায়।

 

Partial Solar Eclipse 2016 website Solar Eclipse Photo taken by Bruno rajshahi1Solar Eclipse Barisal camp

March 9, 2016 at 5:30 am

আগামী ৯ মার্চ বাংলাদেশে আংশিক সূর্যগ্রহণ

আগামী ৯ মার্চ, ২০১৬ সারাদেশ থেকে আংশিক সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে। সূর্য উদয়ের সাথে সাথেই বাংলাদেশ থেকে এ সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে। ঢাকার স্থানীয় সময় ভোর ৬টা ১২ মিনিটে সূর্য উদয়ের পর থেকে শুরু হয়ে সকাল ৬টা ৩৮মিনিট ৪৯ সেকেন্ডে সূর্যগ্রহণের সর্বোচ্চ পর্যায় ও ৭টা ২১ মিনিট ৭ সেকেন্ডে গ্রহণ শেষ হবে। বাংলাদেশ ছাড়াও আংশিক সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে চীন, জাপান, কোরিয়া, অস্ট্রেলিয়ার কিছু অংশ ও হাওয়াই, আলাস্কা থেকে। আর ইন্দোশিয়ার কিছু দ্বীপ থেকে ঐদিন পূর্ণ সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে। বাংলাদেশ থেকে পরবর্তী আংশিক সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে ২০১৯ সালের ২৬ ডিসেম্বর। আর ২১১৪ সালের ৩ জুনের আগে বাংলাদেশ থেকে কোন পূর্ণ সূর্যগ্রহণ দৃশ্যমান হবেনা।

সূর্যকে কেন্দ্র করে পৃথিবী তার নিজ কক্ষপথে ঘুরছে, একইসাথে চাঁদ পৃথিবীর চারদিকে ঘুরছে। সূর্য ও পৃথিবীকে নিয়ে একটি তল কল্পনা করলে চাঁদ সাধারণতঃ সেই তলে পৃথিবীর চারদিকে ঘোরে না। কিন্তু কোনো কোন সময়ে, অমাবস্যার সময়, পৃথিবী ও সূর্যের মাঝখানে চাঁদ সেই তলে একই সরল রেখায় চলে আসে। সূর্য চাঁদের আড়ালে চলে যায় এবং চাঁদের সঙ্কীর্ণ ছায়া তখন পৃথিবীর বুকে ভ্রমণ করে। সেই ছায়া যেসব জায়গার ওপর দিয়ে যায় সেখান থেকে মনে হয় সূর্য ধীরে ধীরে ঢেকে যাচ্ছে। ছায়ার কেন্দ্রে যেসব অঞ্চল পড়বে সেখান থেকে পূর্ণ সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে। আর কেন্দ্রের বাইরে দেখা যাবে আংশিক সূর্যগ্রহণ।

অনুসন্ধিৎসু চক্রের জ্যোতির্বিজ্ঞান বিভাগের সভাপতি মো. শাহজাহান মৃধা জানান, সূর্যগ্রহণ খালি চোখে দেখা অত্যন্ত ক্ষতিকর। এক্সরে ফিল্ম, নেগেটিভ, ভিডিও আ অডিও ক্যাসেটের ফিতা, সানগ্লাস, ঘোলা বা রঙিন কাচে এসব ক্ষতিকর অতিবেগুনী ও অবলোহিত রশ্মি আটকায়না। তাই কোনক্রমেই এগুলো দিয়ে সূর্যগ্রহণ পর্যবেক্ষণ করা যাবেনা। চক্রের জ্যোতির্বিজ্ঞান বিভাগ আরো জানিয়েছে, ১৩ ও ১৪ গ্রেডের ওয়েল্ডিং গ্লাস আ আর্ক গ্লাস দিয়ে নিরাপদে সূর্যগ্রহণ পর্যবেক্ষণ করা যায়। ১১ গ্রেডের ওয়েল্ডিং গ্লাস দিয়েও গ্রহণ দেখা যাবে, তবে সেক্ষেত্রে দুটি গ্লাস একত্রে জোড়া দিয়ে ব্যবহার করতে হবে। তবে কোন ফিল্টার দিয়েই একনাগাড়ে বেশিক্ষণ তাকানো যাবেনা। সোলার ফিল্টার ছাড়াও পিনহোল ক্যামেরা দিয়ে কোনো স্ক্রিনের ওপর সূর্যের প্রতিবিম্ব ফেলে গ্রহণ দেখা যেতে পারে।

সূর্যগ্রহণ পর্যবেক্ষণের জন্য বিজ্ঞান সংগঠন অনুসন্ধিৎসু চক্র নানা প্রস্তুতি নিয়েছে। এ পর্যবেক্ষণে আধুনিক যন্ত্রপাতি সহ থাকছে সকল ব্যবস্থা। রাজধানীর সূর্যগ্রহণ পর্যবেক্ষণ ক্যাম্পটি অনুষ্ঠিত হবে ঢাকার গ্রীন মডেল টাউন, মান্ডায়। মেঘমুক্ত আকাশ থাকা সাপেক্ষে ক্যাম্প শুরু সকাল ৬টা ১০ মিনিট থেকে। গ্রহণ শেষ হওয়া পর্যন্ত পর্যবেক্ষণ ক্যাম্প সকলের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। এই ক্যাম্প থেকে ছবি ও বৈজ্ঞানিক তথ্য সংগ্রহ করা হবে। এই জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক ঘটনা যথাযথভাবে পর্যবেক্ষণের জন্য ক্যাম্পে ৮ ইঞ্চি স্মিড ক্যাসিগ্রেইন টেলিস্কোপ থাকবে। ঢাকার বাইরে অনুসন্ধিৎসু চক্রের উদ্দ্যোগে সূর্যগ্রহণ পর্যবেক্ষণ ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হবে:

পঞ্চগড়ে অনুসন্ধিৎসু চক্রের বোদা শাখার আয়োজনে বোদা পল্লী বিদ্যুৎ সংলগ্ন মাঠ, শীমুলতলি; রাজশাহীতে অনুসন্ধিৎসু চক্রের রাজশাহী শাখা ও অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটি অব রুয়েট যৌথভাবে রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় খেলার মাঠে; ঝিনাইদহে অনুসন্ধিৎসু চক্রের ঝিনাইদহ শাখার উদ্দ্যোগে বীরেশ্রষ্ঠ হামিদুর রহমান স্টেডিয়াম, কবি সুকান্ত সড়ক;বরিশালে অনুসন্ধিৎসু চক্রের বরিশাল শাখার আয়োজনে জেলার দুটি স্থানে বরিশাল সদরের মুক্তিযোদ্ধা পার্ক ও ভেগাই হালদার পাবলিক একাডেমী, আগৌলঝাড়ায় ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হবে।সূর্যগ্রহণ ক্যাম্পে যোগদান ও পর্যবেক্ষণ সম্পর্কিত তথ্যের জন্য সর্বসাধারণকে অনুসন্ধিৎসু চক্রের কেন্দ্রীয় দপ্তর ৪৮/১, দক্ষিণ মুগদাপাড়া, ঢাকা-১২১৪, ইমেইল: achokro@gmail.com, www.achokro.org; বা ফেসবুকে- www.facebook.com/Anushandhitshuchokro; ফোন:৭২৭৫৮৮৫, ০১৮১৯৯২৬১৬০ যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হলো।Solar Eclipse Diagram, Anushadhitshu Chokro

March 4, 2016 at 7:19 am

জ্যোতির্বিদ এ আর খান প্রয়াণে স্বারণিক মিলন ও দোয়া মাহফিল

অনুসন্ধিৎসু চক্রের সাবেক সভাপতি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলিত পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের প্রাক্তন সভাপতি জ্যোতির্বিদ আনোয়ারুর রহমান খান (এ আর খান) এর প্রয়াণ স্মরণে আজ ২১ আগস্ট শুক্রবার মরহুমের মনিপুরিপাড়াস্থ নিজ বাসভবনে পারিবারিক উদ্দ্যোগে স্মারণিক মিলন ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক,অনুসন্ধিৎসু চক্রের জ্যোতির্বিজ্ঞান বিভাগের সভাপতি শাহজাহান মৃধা, ড. এ আর খানের কনিষ্ঠ ভ্রাতা স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের অন্যতম সংগঠক আশফাকুর রহমান খান, প্রয়াতের কন্যা নিশাত খান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সিদ্দিক-ই-রব্বানী, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের মিহির বিশ্বাস, বিক্রমপুর ফাউন্ডেশনের মুনির মোর্শেদ, সম্মিলিত সাংষ্কৃতিক জোটের হাসান আরিফ প্রমুখ। বক্তৃতাশেষে দোয়া, প্রদীপ প্রজ্জ্বলন ও সাংষ্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়।
(more…)

August 22, 2015 at 9:58 am

২১ জুন কর্কটক্রান্তি দিবস

জুন মাসের ২১ তারিখ উত্তর গোলার্ধের সবচেয়ে বড়দিন। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে এই দিনটি কর্কটক্রান্তি (বা অয়ন) দিবস বা Summer Solstice day হিসেবে পালিত হয়। সূর্যের সাপেক্ষে পৃথিবীর অবস্থানের কারণে এদিন আমরা অধিক সময় সূর্যালোক পেয়ে থাকি। পৃথিবী সূর্যের চারিদিকে ঘুরতে ঘুরতে ২১ জুন কক্ষপথে এমন এক অবস্থানে পৌছে যখন সুমেরু সূর্যের দিকে সবচেয়ে বেশি মুখোমুখি হয়ে পড়ে। কর্কট সংত্রান্তিতে সুমেরু বৃত্তের উত্তরে সকল অঞ্চলে ২৪ ঘন্টা সূর্যালোক বিদ্যমান থাকে এবং বিষুব রেখার উত্তরে সকল অঞ্চলে দিনের দৈর্ঘ্য ১২ ঘন্টার বেশি হয়। বছরের এই দীর্ঘতম দিনে এবার ঢাকার আকাশে সূর্য থাকবে মোট ১৩ ঘন্টা ৩৬ মিনিট ২ সেকেন্ড। এই দিনে সূর্য তার উত্তরায়নের সর্বোচ্চ বিন্দুতে অবস্থান করে এবং সর্বোচ্চ উত্তরে উদয় হয় ও সর্বোচ্চ উত্তরে অস্ত যায়। পৃথিবীর কর্কট রেখায় – যা কিনা ২৩.৫ অক্ষাংশ দিয়ে যায় – সূর্যকে ঐদিন মধ্যাহ্নে আকাশের ঠিক মাঝখানে দেখা যায়। বাংলাদেশের মধ্যাংশ দিয়ে কর্কট রেখা যাবার ফলে কর্কটক্রান্তি দিবসে বাংলাদেশের প্রায় সবখানেই মধ্যাহ্নে সূর্য থাকবে মধ্যগগনে প্রায় মাথার উপরে সুবিন্দুতে। ঐ সময়ে কর্কটরেখায় কোনদন্ড বা লাঠি ভূমির সাথে লম্বভাবে রাখলে তার ছায়া তৈরী হবে না। ঢাকার আকাশে ২১শে জুন বেলা ১২ টায় সূর্য মধ্যগগন থেকে মাত্র ০.৩ কৌণিক ডিগ্রী দূরে থাকবে, তাই ঢাকাতেও ঐসময়ে কোন লম্ব দন্ডের ছায়া প্রায় পড়বে না বলা যায়। অনুসন্ধিৎসু চক্র চারপাশের প্রকৃতি ও প্রতিবেশের বিভিন্ন ঘটনার প্রতি সাধারণের মধ্যে আগ্রহ সৃষ্টি এবং এগুলোর বিজ্ঞানসম্মত কারণ অনুসন্ধানে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে প্রতি বছর বাংলাদেশে দিবসটি পালন করে। এবছরও দিবসটি উপলক্ষে অনুসন্ধিৎসু চক্রের বিভিন্ন কর্মসূচী থাকবে। চক্র সবাইকে দিবসটি পালনে আহ্বান জানাচ্ছে।

June 21, 2015 at 1:05 am

চলে গেলেন দেশের অন্যতম জ্যোতির্বিদ ড. এ আর খান

অনুসন্ধিৎসু চক্রের সাবেক সভাপতি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলিত পদার্থ বিজ্ঞানের প্রাক্তন সভাপতি জ্যোতির্বিদ ড. এ আর খান আর নেই। তিনি আজ ভোর ৪.৫৫ মিনিটে লন্ডনের সেন্ট মেরি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিলো ৮৩ বছর।

Picture Dr. a R Khan

জ্যোতির্বিদ ড. এ আর খান ১৯৩২ সালে ঢাকার বিক্রমপুরে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৫৫ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম এস সি পাশ করার পর ঐ বিভাগে প্রভাষকরুপে কর্মজীবন শুরু করেন। পি এইচ ডি করার সময় ১৯৬২ সাল থেকে ১৯৬৭ সাল পর্যন্ত তিনি লন্ডনের ইমপেরিয়াল সায়েন্স এন্ড টেকনোলজিতে শিক্ষকতা ও গবেষণা করেন। এখান থেকে তিনি ১৯৬৭ সালে পদার্থবিদ্যায় পিএইচডি ডিগ্রী অর্জনের পর তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলিত পদার্থ বিজ্ঞানের শিক্ষক হিসেবে প্রত্যাবর্তন করেন। দেশে ফিরে তরুণদের মাঝে বিজ্ঞান ও প্রযু্ক্তিকে ছড়িয়ে দিতে বিজ্ঞান আন্দোলনে যুক্ত হোন। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তাঁর প্রকাশিত গবেষণাপত্রের সংখ্যা ২০ এর অধিক। অনুসন্ধিৎসু চক্রের উদ্যোগে ১৯৮৫-৮৬ সালে দেশে হ্যালির ধূমকেতু পর্যবেক্ষণ, ২০০৪ সালের শুক্রগ্রহের ট্রানজিট, ২০০৩ সালে দেশজুড়ে মঙ্গল উৎসব, ২০০৯ সালে পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ আয়োজনে তিনি সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। দেশে জ্যোতির্বিজ্ঞানকে জনপ্রিয়করণে তাঁর অবদান নতুন প্রজন্মকে উৎসাহিত করবে, পথ দেখাবে। বিজ্ঞান সংগঠন অনুসন্ধিৎসু চক্র তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক জানাচ্ছে।

May 25, 2015 at 6:06 pm

৪ এপ্রিল আংশিক চন্দ্রগ্রহণ

আগামী ৪ এপ্রিল সারাদেশ থেকে আংশিক চন্দ্রগ্রহণ দেখা যাবে। বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৬টা ১২মিনিটে চাঁদ দিগন্তের উপরে উঠার পর থেকে শুরু হয়ে সন্ধ্যা ৭টা ৪৫মিনিটে আংশিক গ্রহণ ও রাত ৮টা ৫৯মিনিটে চন্দ্রগ্রহণের উপচ্ছায়া পর্যায় শেষ হবে। বাংলাদেশে আংশিক চন্দ্রগ্রহণ সংঘটিত হলেও প্রশান্ত মহাসাগর তীরবর্তী অঞ্চল, আলাস্কা ও হাওয়াই থেকে পূর্ণচন্দ্রগ্রহণ দেখা যাবে। এবারের চন্দ্রগ্রহণটি ১৩২ সরোজ সিরিজের অন্তর্গত। বাংলাদেশ থেকে পরবর্তী পূর্ণচন্দ্রগ্রহণ দেখা যাবে ২০১৮ সালের ২৭ জুলাই। চন্দ্রগ্রহণের সময় যখন সূর্য ও চাঁদের মাঝখানে পৃথিবী একই সরলরেখায় চলে আসে, তখন পৃথিবীর ছায়া চাঁদের উপর পড়ে। ফলে পৃথিবী থেকে মনে হয় চাঁদ ধীরে ধীরে ঢেকে যাচ্ছে। চন্দ্রগ্রহণ প্রায় ঘন্টাকালীন স্থায়ী হয় কারণ চাঁদ ধীরে ধীরে পৃথিবীর ছায়া অতিক্রম করে। গ্রহণ চলাকালীন চাঁদকে অনেকটা তামাটে বা লালচে চাকতির মতো মনে হবে। এর কারণ হল সূর্যের কিছু আলো পৃথিবীর বায়ুমন্ডলের মধ্যে দিয়ে বিকরিত হয়ে চাঁদের ওপর পড়ে। অন্যান্য রং বিচ্ছুরিত হলেও লাল রং তুলনামূলকভাবে পৃথিবীর বায়ুমন্ডল দিয়ে প্রতিসরিত হয়ে চাঁদের ওপর পড়ে, এই কারণে গ্রহণের চাঁদকে লাল দেখায়।
(more…)

March 31, 2015 at 11:01 am